1. admin@dailyajkerkhabar.com : daily :
নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতা করায় মমতাকে বড় মূল্য দিতে হবে: অমিত শাহ - দৈনিক আজকের খবর
বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১১:১৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ইসলামিক জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশনা সম্পাদক মুহসিন আল জাবির ইসলামিক জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের  সভাপতি মাওলানা তোফায়েল গাজালি ইসলামিক জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক তানজিল আমির হাতিয়ায় রাতের আঁধারে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা লকডাউনের মধ্যে ইউএনওর নৈশ ভোজের আয়োজন হাতিয়ায় ৫ দোকানীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত স্কুলের সামনে খালের উপর দোকান নির্মাণ নিয়ে দ্বন্দ্ব হাতিয়ায় এবার ইউএনওর প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষকরা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কোর্টে আল-জাজিরার বিরুদ্ধে মামলা মাদ্রাসার ও এতিমখানা’র জমি দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন

নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতা করায় মমতাকে বড় মূল্য দিতে হবে: অমিত শাহ

সংবাদ দাতা :
  • আপডেট : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২০
  • ৪৬৭ Time View
নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতা করায় মমতাকে বড় মূল্য দিতে হবে অমিত শাহ

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ)-এর বিরোধিতা করায় রাজনৈতিকভাবে বড় মূল্য দিতে হতে পারে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যনার্জিকে। এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

তার অভিমত, বাংলার মানুষই আগামী নির্বাচনে মমতাকে রাজনৈতিক উদ্বাস্তু করে দেবে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দিল্লি থেকে ভার্চুয়াল সভার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই হুঁশিয়ারি দেন অমিত শাহ।

গত ডিসেম্বরে ভারতের সংসদে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন পাস হয়। কিন্তু কংগ্রেস, তৃণমূল, সিপিআইএমসহ বিরোধী দলগুলোর দাবি ধর্মের ভিত্তিতে করা এই নতুন নাগরিকত্ব আইন তারা কোনওভাবেই মানবে না। আইন প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছে বিরোধীরা। তবে এই আইন নিয়ে সবচেয়ে বেশি সরব হয়েছে মমতা ব্যনার্জি। তিনি পরিস্কার জানিয়ে দেন, কোনওভাবেই তার রাজ্যে এ আইন কার্যকর করা হবে না।

সেই প্রসঙ্গ তুলেই এদিন অমিত শাহ বলেন, দেশভাগের পর কয়েক কোটি মানুষ, শরণার্থী প্রতিবেশি রাষ্ট্র থেকে এদেশে চলে এসেছেন। গত ৭০ বছর ধরে তারা ভারতেই রয়েছেন। তাদের কোন আইনি অধিকার নেই, তাদের কোন পরিচিতি নেই। নিজেদের দেশেই তারা বেনাগরিক হয়ে ছিলেন। অন্য দেশেও সমস্যার মধ্যে জীবনধারণ করতে হয়েছিল, এখানে এসেও তাদের নানা সমস্যা পোহাতে হচ্ছিল। কোন সরকারই তাদের কোন খোঁজ খবর নেয় নি কারণ তোষনের রাজনীতি করতে হবে। কিন্তু মোদি সরকার ক্ষমতায় এসেই ২০১৯ সালে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য সিএএ আইন এনেছে।

এসময় মমতা ব্যনার্জিকে তোপ দেগে অমিত শাহ বলেন, আমি ওই দিনই মমতার চেহার দেখেছিলাম। রাগে তার মুখ লাল হয়ে গিয়েছিল। তিনি এতটাই ক্ষুব্ধ ছিলেন যে সৌজন্যতা বোধটুকু ভুলে গিয়েছিলেন। এত রাগ কখনও কোন ব্যক্তির মধ্যে দেখি নি। সংসদের ভিতর, রাস্তায়, র‌্যালি সবজায়গায় বিক্ষোভ করেছিলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমি মমতা দিদিকে জিজ্ঞাসা করতে চাই যে মতুয়া বা নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের মানুষ আপনার কি ক্ষতি করেছে? বাংলাদেশ থেকে যে বাঙালি ভাইরা এসেছেন তারা আপনার কি ক্ষতি করেছে? তারা এদেশের নাগরিকত্ব পাবে-তাতে আপনি কেন বাধা দিচ্ছেন? বাংলার মানুষের কাছে মমতা দিদিকে স্পষ্ট করে বলতে হবে উনি কেন এর বিরোধিতা করছেন। আপনি সিএএ’এর বিরোধিতা করছেন কিন্তু যখন ভোট আসবে বাংলার মানুষই আপনাকে রাজনৈতিক শরণার্থী করে দেবে। সিএএ’এর বিরোধিতার জন্য আপনাকে বড় মূল্য দিতে হবে।

আগামী বছরই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার নির্বাচন। কিন্তু করোনা ভাইরাস ও লকডাউনের আবহে নিষিদ্ধ সমস্ত মেলা-মেশা, জমায়েত, সভা-সমিতি। তাই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই একদিকে দলের নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত করার পাশাপাশি মমতা ব্যনার্জি ও তার দল তৃণমূল কংগ্রেসকেও শুরু থেকেই তোপ দাগেন বিজেপির সাবেক সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ।

রাজ্যে রাজনৈতিক সহিংসতার অভিযোগ এনে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গই দেশে একমাত্র জায়গা যেখানে কোভিড-১৯ এর মধ্যেও রাজনৈতিক সহিংসতা হয়। ২০১৪ সাল থেকে পরিবর্তনের জন্য লড়াইয়ে ১০০ বেশি দলীয় কর্মী নিহত হয়েছে হয়েছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজনৈতিক সহিংসতাকে রাজ্যের বাইরে রেখে আসবে।

তার অভিমত, এ রাজ্যে ফের পরিবর্তন দরকার। যারা রাজ্যে উন্নয়নের লক্ষ্যে ৩৪ বছরের বাম শাসনের পরিবর্তন করে তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতায় এনেছিলেন তারাও এখন বলছে যে তৃণমূলের চেয়ে বামেরাই ভাল ছিল। আপনারা বামফ্রন্টকে ৩৪ বছর দিয়েছেন, তৃণমূলকে ১০ বছর দিয়েছেন। এবার মোদিজিকে এবার সুযোগ দিয়ে দেখুন। বিহারে এনডিএ ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই রাজ্যের মতো একটু দুর্বল রাজ্যেরও পরিবর্তন হয়েছে। তিন বছরে উত্তর প্রদেশও সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, একমাত্র বিজেপিই রাজ্যে পরিবর্তন আনতে পারে। আমি রাজ্যের কোটি কোটি মানুষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে দুর্নীতি ও সহিংসতা মুক্ত বাংলা গড়ার জন্য মোদিজিকে ভোট দিন। এরপর আগামী  পাঁচ বছর দেখবেন কোন সহিংসতা নেই, দুর্নীতি, সিন্ডিকেট, সন্ত্রাস, অনুপ্রবেশ নেই। আপনারা যদি এটাই চান তবে এব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে মোদিজির হাতে এই অধিকার তুলে দিন। তাছাড়া মোদিজি কেবলমাত্র রাজনীতি করতে এরাজ্যে আসেন নি বা এরাজ্যে নিজের সংগঠন তৈরি করতে আসেনি। বিজেপির লক্ষ্য প্রথাগত বাংলা ও  সোনার বাংলা তৈরি করা।

সূত্র: বিডি-প্রতিদিন/সিফাত আব্দুল্লাহ

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর
© (কপিরাইট):  2010 | দৈনিক আজকের খবর কর্তৃক সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
Theme Customized BY LatestNews